রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

কণ্ঠশীলন নিয়ে সন্জীদা খাতুনের বিবৃতি




(ভালো লাগার জায়গা নিয়ে এমন কিছু দেখতে কার ভালো লাগে?) 

বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সন্জীদা খাতুন কণ্ঠশীলনের কয়েকজন কর্মকর্তার ক্রিয়াকর্ম নিয়ে তাঁর মতামত ও অবস্থান ব্যাখ্যা করে একটি বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তিনি বলেছেন: কণ্ঠশীলন/সাহিত্যের বাচিক চর্চা ও প্রসার প্রতিষ্ঠানে আমি কখনো কখনো বহিরাগত অবৈতনিক গুরু হিসেবে ক্লাস নিলেও প্রতিষ্ঠানের সদস্য হইনি। প্রতিষ্ঠাতা ওয়াহিদুল হকের মৃত্যুর পরে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা নানা বিষয়ে আমার উপদেশ নিতে এসেছেন।




কয়েক মাস আগে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বাদে কণ্ঠশীলনের কিছু কর্মকর্তা আমার কাছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে এলেন। পরে অন্য পক্ষও এল, যার মধ্যে প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদকও আছেন। সাধারণ সম্পাদক আমাকে জানালেন, প্রতিষ্ঠানের ছয়জন সদস্য ‘কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯৯৪’-এর অধীনে ‘কণ্ঠশীলন লিমিটেড’ নামে একটি লাভজনক প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করেছেন। এই লিমিটেড কোম্পানির চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার, ম্যানেজিং ডিরেক্টর রইসুল ইসলাম এবং চারজন পরিচালক হলেন মীর বরকত, আহমাদুল হাসান, মোস্তফা কামাল ও নমিতা আক্তার মুক্তি। অর্থাৎ কণ্ঠশীলনের এই ছয়জন, প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরীকেও না জানিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে রূপ দিয়েছেন। আমি তাঁদের কাছে প্রবল আপত্তি জানানোয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার তিন বছর পর ইদানীং বিলুপ্ত করার আদেশ পাওয়া গেছে বলে তাঁরা জানিয়েছেন।
ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠানের সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরী কণ্ঠশীলনের অস্বস্তিকর ঘটনাগুলো সম্পর্কে আমাকে জানিয়ে এর একটি সুরাহা করার জন্য আমার সহায়তা চাইলেন। এরপর বেশ কয়েকজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্যও আমার কাছে এলেন। এ বিষয়ে তাঁরা আমার সহায়তা কামনা করলেন। এই অবস্থায় শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী আর আমি সমঝোতার উপায় নিয়ে বার কয়েক বৈঠক করি।
৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ বিকেলে সভাপতি কাইয়ুম চৌধুরী মীমাংসার জন্য যে সভা ডেকেছিলেন, সে সভায় এই পক্ষটি (যাঁরা লিমিটেড কোম্পানি করেছিলেন) উপস্থিত থাকবে বলেও শেষ পর্যন্ত উপস্থিত থাকবে না জানায়। তবে সভাপতির আহ্বান মান্য করে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও জ্যেষ্ঠ সদস্যদের অনেকে সভায় উপস্থিত হন।
এই পরিস্থিতিতে আমি বিবৃতি দিয়ে জানাতে চাই, অতঃপর বর্তমান কণ্ঠশীলনের (যাঁরা লিমিটেড কোম্পানি করেছিলেন এবং তাঁদের সব অনুসারী) সঙ্গে আমি কোনোভাবেই যুক্ত থাকব না। কারণ—
এক. কণ্ঠশীলনে একদল সুবিধাভোগী শিক্ষকের জন্য অন্য কারও ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও কাউকে ক্লাস দেওয়া হয় না। উল্লেখ্য, শিক্ষকদের জন্য পারিশ্রমিকের ব্যবস্থাও আছে।
দুই. সম্মানিত ব্যক্তিদের পরামর্শ অগ্রাহ্য করে মান্যজনের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের খেপিয়ে তোলা হচ্ছে।
বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাজের প্রতি আমার আস্থা আছে। আশা করি, তাঁরা প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংস হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করবেন। বিজ্ঞপ্তি

>> পুলিশি হয়রানির নিন্দায় কণ্ঠশীলনের আবৃত্তিকর্মীরা

 >> কণ্ঠশীলন সম্পর্কে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ প্রসঙ্গে

 >> কণ্ঠশীলনের নতুন কার্যকরী পরিষদ গঠন

 


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন