কণ্ঠশীলন এর অশীতিতম আবর্তনে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু অশীতিতম আবর্তন মানে যে ৮০তম আবর্তন তা জানা ছিল না। তাই প্রথম দিকে এর সংখ্যাগত গুরুত্বটা বুঝতে পারি নি। দুই-এক জনকে জিজ্ঞেস করেছি, তারাও নিশ্চিত করে বলতে পারেন নি।
কণ্ঠশীলনের অশীতিতম আবর্তনের মানে যে ৮০তম আবর্তন সেটা বুঝলাম গোলাম সারোয়ার স্যারের কাছ থেকে। একদিন ক্লাসে এসে বললেন, তোমাদের জন্য দুইটা সুখবর আছে। প্রথম খবর হলো কণ্ঠশীলন দুই বছর পরপর ওয়হিদুল হক স্মারণিক মিলনোৎসব পালন করে। এবার তোমাদের আবর্তন চলাকালেই সেটা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
দ্বিতীয় সুখবর হলো, যদিও অন্যান্যবার চলতি আবর্তনের শিক্ষার্থীদের ওয়াহিদুল হক স্মারণিক উৎসবে ডাকা হয় না, তবুও এবার তোমাদের সেই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ার ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা চলছে। কারণ তোমাদের অশীতিতম (৮০তম) আবর্তনের মধ্য দিয়ে কণ্ঠশীলন একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করেছে।
একই সাথে কণ্ঠশীলন প্রতিষ্ঠার ৩০ বছর পূর্ণ করেছে অশীতিতম আবর্তন চলাকালেই। আবৃত্তির সংগঠন হিসেবে একটি প্রতিষ্ঠান তিন দশক ধরে আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে, এটা কম কথা নয়। আর সেই সময়ের সাক্ষী হতে পেরে আলোকিত হয়েছে অশীতিতম আবর্তন।
গুরুত্বপূর্ণ আরো একটি ব্যাপার ছিল কণ্ঠশীলনন এর অশীতিতম আবর্তন চলাকালে। ‘যা নেই ভারতে’ কণ্ঠশীলন প্রযোজিত সপ্তম মঞ্চনাটক মঞ্চে এসেছে এই সময়েই। প্রথম মঞ্চায়নের দর্শক হয়ে অশীতিতম আবর্তনের শিক্ষার্থীরাও সাক্ষী হয়ে থাকার সুযোগ পেল।
কণ্ঠশীলন এর অশীতিতম আবর্তন অনন্য হয়ে থাকার যেসব কারণের কথা উল্লেখ করলাম, জেনেশুনে আমরা এর একটিও অর্জন করি নি। সময় কিংবা নিয়তি আমাদের এসব সুযোগ এনে দিয়েছে। এত সুযোগ পেলাম, কিন্তু নিজেদের কোন অর্জন কি থাকবে না!
থাকবে না কেন, নিশ্চয়ই থাকবে। তবে আমাদের সেই অর্জনের ঝাণ্ডাটি বহনের দায় থাকল তাদের ওপর, যারা প্রয়োগের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন এবং প্রয়োগে অংশ নিবেন। তাদের অর্জনই আমাদের অর্জন হয়ে মঞ্চ থেকে মঞ্চে অনন্য হয়ে ঘুরে বেড়াবে কণ্ঠশীলন এর অশতীতম আবর্তন।
অশীতিতম আবর্তনের ফলাফল






কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন